সুরমা গেইট থেকে ছিনতাইকারী গ্রেপ্তার

শহরতলীর সুরমা গেইট এলাকা থেকে সামসুল ইসলাম (৩৭) নামে এক ছিনতাইকারীকে গ্রেপ্তার করেছে শাহপরান থানা পুলিশ।

শুক্রবার (২৯ মার্চ) বিকাল ৫টায় শাহপরান থানাধীন সুরমা গেইট এলাকা থেকে তাকে আটক করা হয়। শনিবার (৩০ মার্চ) তাকে আদালতে সোর্পদ করা হয়।

সিলেট মেট্রোপলিটন পুলিশের অতিরিক্ত উপ-পুলিশ কমিশনার (মিডিয়া এন্ড কমিউনিটি সার্ভিস) মো. জেদান আল মুসা স্বাক্ষরিত সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়।

পুলিশ জানায়, গত ৩ ফেব্রুয়ারি দুপুর ১টার দিকে শিক্ষক ইতি রানী দাস তার ভাইয়ের বাসা শাহপরাণ থানাধীন শাপলাবাগ এলাকা থেকে জিন্দাবাজার যাওয়ার উদ্দেশ্যে পায়ে হেঁটে রুয়ানা হন। তখন শাপলাবাগস্থ ১নং রোডের ৪০নং বাসার সামনে রাস্তার উপর পৌঁছা মাত্রই পিছন দিক হতে অজ্ঞাতনামা ২ জন ছিনতাইকারী একটি পালসার মোটরসাইকেল যোগে তার গতিরোধ করে। তখন মোটরসাইকেলের পিছনে বসা একজন ছিনতাইকারী মোটরসাইকেল থেকে নেমে তার গলায় চাকু ধরে ভয়ভীতি দেখিয়ে ১টি এক ভরি ওজনের স্বর্ণের চেইন, ১২ আনা ওজনের স্বর্ণের ১ জোড়া কানের দুল এবং ০৬ আনা ওজনের ১টি স্বর্ণের আংটি ছিনিয়ে নেয়। যার আনুমানিক মূল্য হবে ৮৯হাজার টাকা।

পরে ইতি রানীর ভাই বিজিত লাল দাস আশপাশের বাসায় স্থাপনকৃত সিসিটিভি ফুটেজ সংগ্রহ করে ছিনতাইকারীদের সনাক্ত করে তাদের সন্ধান লাগান। পরবর্তীতে শুক্রবার বিজিত লাল ছিনতাকারীদের মধ্যে একজনকে অত্র থানাধীন সুরমা গেইট এলাকায় ঘুরাফেরা করতে দেখে চিনতে পেরে পুলিশকে সংবাদ দেন। তার সংবাদের প্রেক্ষিতে শাহপরাণ (রহ:) মাজার পুলিশ তদন্ত কেন্দ্রের ইনচার্জ এসআই আবু রায়হান নূর, এসআই রাজীব কুমার রায় সঙ্গীয় ফোর্সের সহযোগীতায় ছিনতাইকারী সামসুল ইসলামকে গ্রেপ্তার করা হয়।

পরবর্তীতে ছিনতাইয়ের শিকার ইতি রানী দাসের ভাই বিজিত লাল দাস (৩১) বাদী হয়ে ধৃত আসামি  সামসুল ইসলাম ও পলাতক আসামি মহসিন দেওয়ান (৩২) এর নামে অভিযোগ দাখিল করলে, শাহপরাণ(রহ:) থানার মামলা নং-১৯ তাং-২৯/০৩/২০১৯খ্রি: ধারা- আইন-শৃঙ্খলা বিঘœকারী অপরাধ(দ্রুত বিচার) আইন ২০০২ সংশোধনী ২০০৯ এর ৪/৫ রুজু করা হয়। উক্ত মামলাটি এসআই শাখাওয়াত হোসেন তদন্ত করছেন।

পুলিশ আরো জানায়, ধৃত আসামিকে প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে জানা যায় সে তার সহযোগীদের নিয়া সিলেট শহরের বিভিন্ন স্থানে মোটরসাইকেল যোগে ছিনতাই করে থাকে। সিডিএমএস এর মাধ্যমে বর্ণিত ধৃত আসামী সামছুল ইসলাম (৩৭) এর পিসি/পিআর যাচাই করে জানা যায় যে, উক্ত আসামির বিরুদ্ধে জালালাবাদ থানায় একটি ও এয়ারপোর্ট থানায় একটি মামলা রয়েছে।

খবরটি পড়া হয়েছে :12বার!

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *