বাণিজ্য মেলায় কেনো নিষেধাজ্ঞা নয়, চেম্বারকে আদালত

সিলেট নগরীর শাহী ঈদগাহ এলাকার শেখ রাসেল মিনি স্টেডিয়ামে বাণিজ্য মেলা বন্ধে কেনো নির্দেশনা দেওয়া হবে না তা জানাতে চেম্বার কর্তৃপক্ষকে নোটিশ প্রদান করেছে আদালত। সাত দিনের মধ্যে এই নোটিশের জবাব দিতেও বলা হয়েছে। মেলা বন্ধের নির্ধেশনা চেয়ে স্থানীয় এক বাসিন্দার জনস্বার্থে দায়ের করা মামলার প্রেক্ষিতে বৃহস্পতিবার আদালত এই নোটিশ প্রদান করেন।

শেখ রাসেল মিনি স্টেডিয়ামে ৫ম আন্তর্জাতিক বাণিজ্য মেলার আয়োজন করেছে সিলেট মেট্রোপলিটন চেম্বার অব কমার্স অ্যান্ড ইন্ডাস্ট্রিজ। চলতি মাসেই মেলা উদ্বোধন হওয়ার কথা। মাঠে চলছে স্টল নির্মাণ ও আনুষাঙ্গিক প্রস্তুতির কাজ।

এরআগে গত নভেম্বরে এ মাঠে আন্তর্জাতিক বাণিজ্য মেলা করে সিলেট চেম্বার অব কমার্স এন্ড ইন্ডাস্ট্রিজ। যা শেষ হয় ডিসেম্বরের শেষ সপ্তা।ে এক মাসের ব্যবধানে ২য়বারের মতো ওই মাঠের বাণিজ্য মেলার উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। এছাড়া সারাবছরজুড়েই এই খেলার মাঠে লেগে থাকে নানা ধরণের মেলা। ফলে খেলাধুলার সুযোগ থেকে বঞ্চিত হচ্ছে স্থানীয় শিশু কিশোররা। বারবার মেলার আয়োজনে এলাকাবাসীও ক্ষোভ প্রকাশ করে আসছেন বিভিন্ন সময়।

এই মেলা বন্ধের নির্দেশনা চেয়ে গত বুধবার সিলেটের সিনিয়র সহকারী জজ সদর আদালতে জনস্বার্থে একটি মামলা দায়ের করেন নগরীর খাসদবীর এলাকার বাসিন্দা সৈয়দ ইয়ারব আলী বাপ্পী। স্বত্ব মামলা নম্বর-১৯/২০১৯। মামলার এজাহারে শেখ রাসেল মিনি স্টেডিয়ামে সবধরণের মেলা বন্ধেরও নিষেধাজ্ঞা চেয়ে আবেদন করা হয়। 

এতে বিবাদী করা হয় সিলেট মেট্রোপলিটন চেম্বার অব কমার্স অ্যান্ড ইন্ডাস্ট্রিজের সভাপতি হাসিন আহমদ, মেলার সমন্বয়কারী এম. এ মঈন খান বাবলুকে। এছাড়া মামলায় মোকাবিলা বিবাদী করা হয়েছে- সিলেট জেলা প্রশাসক, সদর উপজেলা পরিষদ চেয়ারম্যান, সদর উপজেলা নির্বাহী অফিসার এবং এয়ারপোর্ট থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তাকে।

ওই আবেদনের প্রেক্ষিতে আদালত বৃহস্পতিবার আয়োজকদের বিরুদ্ধে কেনো অস্থায়ী নিষেধাজ্ঞার আদেশ প্রদান করা হবে না মর্মে নোটিশ প্রাপ্তির সাত দিবসের মধ্যে কারণ দর্শানোর জন্য নির্দেশ দেন সিনিয়র সহকারী জজ মুতামসিম বিল্লাহ ।

এ বিষয়ে বাদী পক্ষের আইনজীবী এডভোকেট সৈয়দ তুজাম্মুল আলী বলেন- মেলা বন্ধের জন্য জনস্বার্থে সিনিয়র সহকারী জজ আদালতে (সদর) স্বত্ব মামলা দায়ের করা হয়েছে। পাশাপাশি শেখ রাসেল মিনি স্টেডিয়ামে মেলা বন্ধের নিষেধাজ্ঞারও আবেদন করলে আদালত বিবাদী পক্ষকে নোটিশ প্রাপ্তির সাত দিবসের মধ্যে কারণ দর্শানোর জন্য নির্দেশ প্রদান করেছেন।

তিনি বলেন- প্রতিষ্ঠানের বিরুদ্ধে শোকজ মানেই অস্থায়ী নিষেধাজ্ঞা। বিবাদী পক্ষের উচিত তাদের কার্যক্রম বন্ধ রেখে আইনের প্রতি সম্মান দেখিয়ে আদালতের নির্দেশ মানা।

খবরটি পড়া হয়েছে :10বার!

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *