শীর্ষ ইয়াবা কারবারী; নাপিত থেকে নব্য কোটিপতি কাজল শর্মা

কক্সবাজার প্রতিনিধি: এই শহরের বহুল আলোচিত ইয়াবা ব্যবসায়ী কাজল শর্মা প্রকাশ নাপিত কাজল উরপে সামসা কাজল তিনি এখন নব্য কোটিপতি। কক্সবাজার শহরের আমিন মিয়া রোড গার্স হাই স্কলের সামনের রোডএলাকার বাসিন্দা ননী শীলের একমাত্র ছেলে কাজল শর্মা যিনি, মাত্র ৫ বছর আগে আগে তার বাবা সাথে নাপিতের (নরসুন্দর সেলুনের) কাজ করতো, অভাবের সংসার সেখান থেকে জৈনিক একজন ব্যাবসায়ীর একটি ক্লারল্যাবের শ্রমিক হিসাবে মাসিক ২৫ শত টাকা করে চাকুরী করতো, সেখানে তার বেশিদিন হল না, চুরি, ভিবিন্ন জনের সাথে প্রতারনার জন্য চাকুরীচুত্য হল।কিছুতদিন যেতে না যেতে আরেকটি মিথ্যা তথ্যদিয়ে একটি সুপ্রতিষ্টিত ট্রাবল এসেন্সির চাকুরীনেন, সেখানে ও টাকা চুরির ধরাপড়েন সেখানে আর চুরি করবেনা বলে মুচলেখা দিয়ে চাকুরীরত আছে,চাকুরীর পাশাপাশি শুরু করেন মরণনেশা ইয়াবা ব্যাবসা ও পতিতার ব্যাবসা, প্রতিদিন তারকাছে আসে মাদকসেবী ও খদ্দর, লাবনী পয়েন্ট ও চাকুরী স্থল হোটেল জুড়ে গড়ে তোলেছে বিশাল সিন্ডিকেট চাওয়া মাত্র পেয়ে যাবেন মাদক ও নারী, তার সাথে ভিবিন্ন হোটেলে রয়েছে সখ্যতা ও তার টেকনাফ কেন্দ্রিক ইয়াবা প্রচারে শক্ত চক্র,তৎকালিন সময়ে শুন্য হাতে আসেন কাজল শর্মা নামের এই যুবক । এখন চলাফেরা যেন রাজার হালতে। মাত্র কয়েক বছরের ব্যবধানে কাজল শর্ম্মা এখন নব্য কোটিপতি। তবে এই কোটিপতি হওয়ার পেছনে রয়েছে বিশাল এক রহস্যজনক অধ্যায়। তার কাছে কোটিপতি হওয়ার জন্য দৃশ্যমান কোন বৈধ ব্যবসা না থাকলেও বিভিন্ন এলাকায় নামে বেনামে কোটি কোটি টাকার সম্পদ ক্রয় করেছেন কাজল শর্মার। হঠাৎ করে এমন বদলে যাওয়ার রহস্যের পেছনে এলাকার সচেতন মহল দাবী করছেন কাজল শর্মা ইয়াবা ব্যবসার সাথে জড়িত। দেশের ভিবিন্ন জেলান অচেনা মানুষের সাথে প্রতিনিয়ত আনাগোনা,এই ইয়াবার টাকা আদান প্রদান করেন তাঁর কর্মস্থলের বিকাশে ও নিকটস্থ বিকাশের এজেন্টের দোকানে মাধ্যোমে, এই ইয়াবা কাজল প্রকাশ নাপিত কাজল অনেক দূরান্ত চালক,যার কাছে যায় তাকে সহজে গ্রহন করে নিতে পারে ভিবিন্ন মিথ্যা কথাচয়নে পরে বিপদে পড়তে হয়,এককথায় দালাল সভাসের, যার কাছে যায় তার সুনাম অন্যজনের দুরনামে লিপ্ত থাকে তার কাজ, এই বিষয়ে তার অফিসের মালিকে মুটোফোনে যোগাযোগ করলে তিনি রিসিভ করেননি,।তার সাথে যোগাযোগ করা হলে ইয়াবা ব্যবসার সাথে জড়িত নয় বলে জানান কাজল শর্মা। এত সম্পদের মালিক কিভাবে হয়েছেন বললে তিনি উত্তরে বলেন দীর্ঘ দিন অন্য ব্যাবসার সাথে জড়িত ছিলেন। সঠিক উত্তর দিতে না পারলেও তবে তিনি নিজেই সকল সম্পদের মালিক বলে সূত্রে প্রকাশ। এলাকায় ভাল মানুষের আড়ালে প্রতিনিয়ত ইয়াবা ব্যবসা করে কাজল শর্মা, প্রশাসনের চোখ ফাঁকি দিয়ে আসছেন। এমন কি আলাউদ্দীনের চেরাগ পেয়ে অনেকটা জিরো থেকে হিরু বনে গেছে তিনি। এলাকায় কাউকে পাত্তা দিচ্ছেননা কালো টাকার গরমে। প্রায় সময় নানা অপ্রীতিকর ঘটনা করে চলছেন তিনি। ইয়াবার কালো টাকার বদৌলতে কক্সবাজার ও চট্টগ্রামে এখন তার নামে বেনামে কোটি কেটি টাকার সম্পদ রয়েছে। একেবারে জিরো থেকে হিরু বনে যাওয়া কাজল শর্মা এলাকায় এখন কোটিপতি হিসেবেই পরিচিত। তার নিয়ন্ত্রণে চলছে এলাকায় যত অপকর্ম। ভাল মানুষের মূখোশে আইনের চোখ ফাঁকি দিয়ে এইসব অপকর্ম করেন বলে জানান ভুক্তভোগিরা। সূত্রে জানায়, দুরন্ধর এই ইয়াবা ব্যবসায়ী কিছু দিন আগে ইয়াবাসহ আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর জালে আটকা পড়লেও রহস্যজনক কারণে জেলে যেতে হয়নি তাকে। একদিকে দেশে মাদকের বিরুদ্ধে যুদ্ধ ঘোষণা করেছে সরকার, এর পরেও থেমে নেই ইয়াবার কাজ কারবার। নানা করণে তালিকায় নাম না আসা অসংখ্য মাদককারবারী বার বার ধরাছোঁয়ার বাইরে থেকে যাচ্ছে। এই বিষয়ে কক্সবাজার জেলার অতিরিক্ত পুলিশ সুপার মো ইকবাল হোসেন এর কাছে জানতে চাওয়া হলে বলেন, ইয়াবা ব্যবসায়ী যেই হউক না কেন পুলিশ কাউকে ছাড়বে না। একই কথা কক্সবাজার সদর মডেল থানার অফিসার ইনর্চাজ খন্দকার ফরিদ উদ্দীন। 

খবরটি পড়া হয়েছে :119বার!

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *